সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
জয়পুরহাটে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনার শীর্ষে নাজমা খানম রুপালি পাহাড়ে খ্রিস্টান মিশনারির তৎপরতা: পিছিয়ে পড়ছে নওমুসলিমগণ ঈদযাত্রায় জনভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু                    কৃষকদের ফসল সুরক্ষায় ইনসুরেন্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে – খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী        ঈদযাত্রায় স্বস্তি: নির্ধারিত ভাড়ায় চলাচল, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা—গাবতলীতে সড়ক মন্ত্রীর পরিদর্শন দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মানবাধিকার কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া মিরপুরে ছাত্রদল নেতা আশরাফুল হোসেন মামুনের সেহেরি আয়োজনে হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভিড় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ বোনাস পেলেন ডিএনসিসির ৩ হাজার ৩২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে কেউ দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে  -তথ্যমন্ত্রী  ১৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ সুমন হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা

মৃত্যুর আগে প্রিয় সন্তান হত্যাকারীদের বিচার দেখে যেতে চান নিহত পুলিশ কনস্টেবল তপুর মা

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৭ জুলাই, ২০১৭
  • ৩০১ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ হাবিবুল্লাহ হাবিব, ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ

জহিরুল ইসলাম তপু। মুক্তিযুদ্ধা পরিবারের সন্তান। ৬ সদস্যসের পরিবারের

মধ্যে কনিষ্ট হওয়ায় সবার প্রিয় ছিল সে। পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকুরি নেন।

চাকুরির বয়স যেই দিন ৪ বছর ১১ মাস ২৩ দিন, সেই দিনই জঙ্গী হামলায়

নিহত হয় তপু। গত বছর ৭ জুলাই ঈদুল ফিতরের দিন সকালে কিশোরগঞ্জের

শোলাকিয়া ঈঁদগাহ মাঠের কাছে আজিমুদ্দিন হাইস্কুল সংলগ্ন এলাকায়

কর্তব্যরত অবস্থায় জঙ্গী হামলায় নিহত হয় ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া

উপজেলার ভাটিপাড়া বালাশ্বর গ্রামে মৃত বীর মুক্তিযুদ্ধা আঃ মজিদের পুত্র

জহিরুল ইসলাম। আজ শুক্রবার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী তার । পরিবারের পক্ষ

থেকে নিজ বাড়িতে পবিত্র কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল ও দুপুরে এতিম

শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরিবারের এ আয়োজনের সাথে পুলিশও

সহযোগীতা করবেন ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম

জানিয়েছেন। ৪ বোন, দুই ভাইয়ের মধ্যে জহিরুল ইসলাম ও ফাতেমা খাতুন

পুলিশে চাকুরী করতেন। তিন বোন ও এক ভাই বিয়ে করেছেন। নিহত হওয়ার ৬

মাস পূর্বে মায়ের জন্য একটি হাফ বিল্ডিং ঘরের কাজ শুরু করেন। ঘরের কাজও

শেষ। শোলাকিয়া ঈঁদগা মাঠের ডিউটি শেষে ছুটিতে বাড়িতে এসে

মাকে নিয়ে নতুন ঘরে উঠার কথা ছিল তার। জঙ্গী হামলায় নিহত হওয়ার পর

সবকিছু উলটপালট হয়ে যায় পরিবারটির। সেই ঘরটিতে এখন বসবাস

করছেন ভাই দেলোয়ার হোসেনের সাথে মা জোবেদা খাতুন । প্রিয় সন্তান

নিহত হওয়ার পর অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পরেছে মা জোবেদা

খাতুন। মৃত্যুর আগে প্রিয় সন্তান হত্যাকারীদের বিচার দেখে যেতে চান

তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451