বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৯:০৭ অপরাহ্ন

পাঁচবিবিতে কুসুম্বা ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ : থানায় মামলা

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ১২ এপ্রিল, ২০১৭
  • ১৬০ বার পড়া হয়েছে

 

 

মোঃ বাবুল হোসেন, পাঁচবিবি(জয়পুরহাট) প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা ইউপি সদস্য আব্দুল বারী ওরফে দুলাল মেম্বার

ও তার লোজনের বিরুদ্ধে এক কৃষককে পেটানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত

নির্যাতনে আহত মতিয়র রহমান (৩০) সদর উপজেলার কেন্দুল শান্তিনগর গ্রামের মোজাফফর

হোসেনের ছেলে। তিনি দুলাল মেম্বার ও তার দলবলের নির্দয় প্রহারে মাথা, হাত, পা, পিঠ,

বুকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত নিয়ে বর্তমানে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান

মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে তার পারিবারিক সূত্র

অভিযোগ করেছেন।

আহত মতিয়রের বড় ভাই কেন্দুল শান্তিনগর গ্রামের মামুনুর রশিদ ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী

একই গ্রামের আসাদুল ইসলাম, পার্শ্ববর্তী কড়ই গ্রামের আতাউর রহমান, মাধাই নগর

গ্রামের মৃত এফাজ উদ্দিন সরকারের ছেলে আব্দুর রহমানসহ এলকাবাসী জানান, গত ৫

এপ্রিল মাধাই নগর বাজার থেকে কাঁচা তরি-তরকারীসহ কেনাকাটা করে রাতে তারা

একই সাথে বাড়ি ফিরছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান, পথিমধ্যে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ওই বাজারের পশ্চিম দিকে

একটি ব্রীজের নিকট পৌঁছা মাত্র পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পাঁচবিবি উপজেলার

রহমতপুর গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে ও কুসুম্বা ইউপি সদস্য দুলাল মেম্বারের (৫০)

নেতৃত্বে ও তার ভাই শাহিন (৪৫), একই গ্রামের আমছের উদ্দিনের ছেলে রুবেল হোসেন

(৩২) ও মুনজু মিয়া (৪০), তোফায়েল ইসলামের ছেলে ফরিদুল ইসলাম (৪৫), তফিজ উদ্দিনের

ছেলে মিজানুর রহমান (৩৮), সদরের হাঁটু ভাঙ্গা গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে নাজমুল

হোসেনসহ অজ্ঞাত কয়েকজন আমাদের পথরোধ করেন।

এরপর দুলাল মেম্বারের নির্দেশে তার দলবল মতিয়রের হাত-পা বেঁধে লোহার রড দিয়ে বেধরক

পেটাতে থাকেন। এ অবস্থায় মতিয়র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে

তারা মতিয়রকে আহত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান। গুরুতর আহত মতিয়রকে উদ্ধার করে

ওই দিন রাত ১১ টার দিকে স্থানীয়রা প্রথমে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে

ভর্তি করিয়ে দেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল

কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা।

এ ব্যাপারে দুলাল মেম্বার জানান, তিনি বা তার লোকজন মতিয়রকে মারধর করেননি। একটি

টিভি চুরির ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে চুরির সাথে জড়িতরাই মতিয়রকে

মারধর করে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করানো হয়েছে।

জয়পুরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদ হোসেন মামলার বিবরনীর সূত্র ধরে

জানান, এ ব্যাপারে বৃহষ্পতিবার রাতে আহত মতিয়রের বড় ভাই মামুনুর রশিদ বাদী হয়ে

থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ঘটনাটি তদন্দসহ আসামীদের

গ্রেফতারে পুলিশ চেষ্টা করছে বলেও ওসি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451