রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আশুলিয়ার বিএনপি নেতা হেলাল উদ্দিন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক শফিক সাগর: সংগ্রাম থেকে সাফল্যের গল্প পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে সাউথ এশিয়া কো-অপারেটিভ এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ আশুলিয়ায় গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসায় ফুলেফেঁপে উঠছে কারবারিরা লাখ লাখ টাকার মালিক আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে দুই ডাকাত ও কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্যসহ ৫জন গ্রেফতার ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় “জামগড়া পুলিশ ক্যাম্পের” শুভ উদ্বোধন আশুলিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত! রাজবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাস দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় নিখোঁজ অর্ধশশতাধিক মানুষ! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত ও পুলিশ সংস্কারে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার আশ্বাস

চাল খেলে কি আঁচিল হয়?

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭
  • ৩২৬ বার পড়া হয়েছে

আঁচিল মুখের সৌন্দর্য নষ্ট করতে পারে। তাই আঁচিল নিয়ে দুর্ভাবনা আছে অনেকের। এই ভাবনা থেকেই জন্ম হয়েছে আঁচিল সম্পর্কিত অনেক ভ্রান্ত ধারণার।

অনেকের ধারণা, ভাতের চাল খেলে মুখে আঁচিল ওঠে। আবার অনেকের ধারণা, প্রচলিত আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে আঁচিল ভালো হয় না, তবে অন্য সব পদ্ধতিতে ভালো হয়। দুটো ধারণাই একেবারে ভুল। প্রথম, ভাতের চাল খাওয়ার সঙ্গে আঁচিল হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। যেহেতু কিছু কিছু আঁচিল দেখতে সিদ্ধ চালের দানার মতো, তাই আঁচিলের সঙ্গে চালের সম্পর্ক খোঁজেন অনেকে। আর এভাবেই প্রচলন ঘটেছে এই ভ্রান্ত ধারণার।

কেউ কেউ আছেন, যাঁরা একটু-আধটু ভাতের চাল দাঁত দিয়ে কাটার বদঅভ্যাসে আক্রান্ত। এটা বদঅভ্যাস অবশ্যই এবং এতে বদহজমও হতে পারে, তবে আঁচিল হয় না। ভাতের চাল খেলে তা পেটে গিয়ে হজম হয়ে পুষ্টিটুকু রক্তে চলে যায়। এতে আঁচিল হওয়ার মতো কোনো ঘটনার সূত্রপাত হবে না।

আঁচিল মূলত দুই ধরনের। আর দুটোর কারণই ভাইরাস। এক ধরনের আঁচিলের নাম মলাস্কাম কন্টাজিওসাম। এটি পক্স ভাইরাস দলের ভাইরাস থেকে তৈরি। আঁচিলের অন্য একটি ধরন ওয়ার্টস বা ভেরুকা। এটি হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস থেকে তৈরি হয়। উভয় ধরনের আঁচিলই ছোঁয়াচে; একজন থেকে অন্যজনের এটি হতে পারে। অনেকেই এই কথা জানেন না। মলাস্কাম কন্টাজিওসাম আঁচিল সাধারণত এমনিতেই সেরে যায়। আর ভেরুকার জন্য চিকিৎসা প্রয়োজন। ক্রায়োসার্জারি বা ইরেকট্রোডেসিকেশনের মাধ্যমে এটি ভালো করা যায়। তবে রোগের সূচনাতেই চিকিৎসা করা ভালো ও সহজ।

আঁচিলের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা জানেন চর্ম বিশেষজ্ঞরাই; অস্ত্রোপচার তাঁরাই করেন। আঁচিলের ভ্রান্তকর অপচিকিৎসার ফাঁদে না পড়ে সঠিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা নিন এবং নিজেকে সুস্থ রাখুন।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ।

 

সূত্র, ntv/

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451