বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় এনামুল গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেফতার একটি গাড়ী ‍উদ্ধার বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকি-আশুলিয়া থানায় জিডি পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তৎপরতা, আলোচনায় একাধিক নেতা আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে আর কোনদিন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সুশাসন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের সুবাতাস বইছে প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে যুবসমাজ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে : প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাভারে এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নরওয়ের সাথে স্থানীয় সরকারে কারিগরি সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর

প্রতারণা হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে :ড. ফরাসউদ্দিন

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭
  • ৩৬৩ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

দেশে বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেনে ১০০ টাকায় চার্জ হিসেবে গ্রাহকদের কাছ থেকে এক টাকা ৮৬ পয়সা নিচ্ছে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। যা প্রায় দুই টাকার সমান। এটা গ্রাহকদের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত উপকর কমিশনার সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন এসব কথা বলেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর বলেন, দেশের মোবাইল ব্যাংকিং নিয়ে সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তামাশা করছে। তারা মানুষকে ঠকাচ্ছে। যেখানে ব্যাংকিং পদ্ধতিতে নেয় ৪০ পয়সা। সেখানে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে চার্জ ৪০ পয়সার বেশি হওয়া উচিত নয়। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের ভেবে দেখা দরকার বলে মনে করেন তিনি।

এনবিআর যে বিভিন্ন সময় গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব দেখতে চায়, এটা বিশেষ প্রয়োজন না হলে  করা উচিত নয় বলেও মনে করেন ফরাসউদ্দিন। তিনি বলেন, কেবল সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব দেখা যেতে পারে। কারণ এটা মানুষের আমানত, তা রক্ষা করতে হবে। এ ছাড়া এনবিআর বিভিন্ন সময় অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চিঠি দেয়। এ ক্ষেত্রে যথাযথ সম্মান দেখিয়ে চিঠি দেওয়া প্রয়োজন।

কর ব্যবস্থাপনা অটোমেশনের আওতায় নিয়ে আসলে সচ্ছতা বাড়বে। এতে কর আহরণও বৃদ্ধি পাবে। তাই রাজস্ব বাড়াতে কর ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন করার প্রস্তাব দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এই গভর্নর।

‘চার কোটি পরিবার হলে কেন আমরা ১০ ভাগ লোকের কাছ থেকে কর নিতে পারি না। কেন তাদের বুঝাতে পারি না। দোষ কাদের? সম্পূর্ণ করবান্ধব একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে। কর প্রদানকারীদের ভালোভাবে বুঝাতে হবে দেশ গড়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান রয়েছে।’

সভাপতির বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান বলেন, ‘এরই মধ্যে করদাতার সংখ্যা ২৭ লাখ ১৮ হাজার অতিক্রম করেছে। দিন দিন এ সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে মোট রাজস্বের মধ্যে আয়কর খাত থেকে ৩৭ শতাংশ কর আহরিত হয়। এনবিআরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ রাখতে হবে জনগণের ওপর করের বোঝা যেন না বাড়ে।

সম্মেলনে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির (এফবিসিসিআই) সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ, এনবিআর সদস্য মো. আবদুর রাজ্জাক, আলমগীর হোসেন প্রমুখ


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451