বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় এনামুল গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেফতার একটি গাড়ী ‍উদ্ধার বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকি-আশুলিয়া থানায় জিডি পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তৎপরতা, আলোচনায় একাধিক নেতা আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে আর কোনদিন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সুশাসন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের সুবাতাস বইছে প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে যুবসমাজ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে : প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাভারে এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নরওয়ের সাথে স্থানীয় সরকারে কারিগরি সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর

ঠাকুরগাঁওয়ে অডিটের নামে সমবায় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
  • ৪৫৭ বার পড়া হয়েছে

 

জাকির হোসেন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ঃ অডিটের নামে ঘুষ গ্রহন করা ও চাহিদা মত টাকা না পেলে সমিতি বাতিল করে দেওয়ার সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঠাকুরগাওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা সমবায় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ঐ কর্মকর্তার সেস্বচ্ছাচারিতা, ঘুষ গ্রহন ও হয়রানির বিচার দাবী করে গত রোববার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন উপজেলা মৎসজীবি সমবায় সমিতি। উপজেলা মৎসজীবি সমবায় সমিতির সভাপতি ইব্রাহীম ও সাধারণ সম্পাদক ধনেশ্বর চন্দ্র রায় স্বাক্ষরিত অভিযোগে জানা যায়, ২০১৭ সালে পীরগঞ্জ উপজেলায় সমবায় কর্মকর্তা হিসেবে সহিদুল ইসলাম যোগদানের পর থেকে তাদের বিভিন্ন সমিতি অডিটের নামে সমিতির লোকজনদের নানা ভাবে হয়রানি ও নাজেহাল করে আসছেন। অডিটের জন্য খাতা বাবদ ২ হাজার এবং অন্যান্য খরচ বাবদ ৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবী করেন তিনি। ঘুষ না দেওয়ায় ঐ কর্মকর্তা জেলা কর্মকর্তার মাধ্যমে অনেক প্রকৃত সমিতিকে বাতিলের চিঠি দেন। এতে বাধ্য হয়েই অনেকে সমিতি টিকিয়ে রাখার জন্য তার চাহিদা মত ঘুষের টাকা প্রদান করেন। যারা দেননি তাদের সমিতিগুলি নানা অজুহাতে বাতিল করার পায়তারা করছেন। এর প্রতিবাদ করলে নানা ভাবে ভয়ভীতি প্রদান করছেন ঐ কর্মকর্তা। অথচ দীর্ঘদিন ধরে তারা নিয়মতান্ত্রিক ভাবে সমিতি পরিচালনা করে আসছেন। এদিকে ঘুষ না পেয়ে অনেক প্রকৃত মৎসজীবি সমিতিকে বাতিল ঘোষনা করলেও ঘুষ নিয়ে ঐ কর্মকর্তা অনেক সুদ সমিতি ও ভুয়া সমিতি সচল রেখেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। উপজেলা মৎসজীবি সমবায় সমিতির সভাপতি ইব্রহীম জানান, ঐ কর্মকর্তার কাছে সমিতির খাতা পত্রের কোন দাম নাই। টাকা দিলেই সব পার হয়ে যায়। সমিতির খাতা পত্র যাই থাক না কেন – খরচ পত্র না দিলে কিছুই হয় না। সমিতি বাতিল করার হুমকি দেন। ঐ কর্মকর্তার দুর্নীতির বিষয়ে এর আগে অভিযোগ করা হয়। কিন্তু কোন কাজ হয়নি এতে উপজেলার মৎসজীবি সমবায় সমিতি গুলি এখন চরম হতাশার মধ্যে রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সমবায় কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম বলেন, অনিয়ম করে অনেকসমিতি চলছিল। এখন নিয়মের মধ্যে আনায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলা হয়েছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451