বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় এনামুল গ্রেফতার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেফতার একটি গাড়ী ‍উদ্ধার বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকি-আশুলিয়া থানায় জিডি পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তৎপরতা, আলোচনায় একাধিক নেতা আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে আর কোনদিন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সুশাসন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের সুবাতাস বইছে প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে যুবসমাজ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে : প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাভারে এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নরওয়ের সাথে স্থানীয় সরকারে কারিগরি সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর

গ্রাম বাংলার ঐহিত্য পলো দিয়ে মাছ ধরার মহাৎসব

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬
  • ২৬১ বার পড়া হয়েছে

 

 

মো. আখলাকুজ্জামান,গুরুদাসপুর প্রতিনিধি:

প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বাইছালরা উৎসব মুখর পরিবেশে ঐহিত্যবাহী চলনবিলের প্রাণকেন্দ্র নাটোরের

গুরুদাসপুর উপজেলার বিভিন্ন নদী-নালা, খাল-বিল, জলাশয়ে বাইছালরা পলো দিয়ে মাছ ধরার মহাৎসবে মেতে

উঠেছে। বর্ষার পানি যখন একবুক পরিমাণ হয় তখনই এই উৎসব শুরু হয়।

যারা পলো দিয়ে মাছ ধরে তাদেরকে পলো বাইছাল বলে। প্রতিটি গ্রামে এই পলো বাইছালদের একজন সরদার

থাকে। তার নির্দেশ মতে কবে কোথায় মাছ ধরা হবে তা মাইকিং করে প্রচার করা হতো। বর্তমানে হাতে

হাতে মোবাইল ফোন থাকায় মাইকিং করে প্রচার বিলুপ্ত হয়ে গছে।

নদী ও বিলের একবুক পরিমাণ পানিতে সাড়িবদ্ধ লাইন হয়ে বাছাইলরা মাছ ধরা শুরু করে। তারা পাঁয়ে হেঁটে

৮/১০ কিলোমিটার দূরে মাছ ধরতে যায়। উপজেলার নাজিরপুর, খুবজীপুর, বিলসা, পিপলা, চরপিপলা,

বিয়াঘাট, মশিন্দা, শিধুলী, চলনালী, পলশুড়া, নারীবাড়ি, পাঁচশিষা, উদবাড়িয়া, চরকাদহ, ধারাবারিষা,

সোনাবাজু, পাটপাড়া, পারগুরুদাসপুর, আনন্দনগর, কাছিকাটা, হাঁসমারী, চাপিলা সহ পাশ্ববর্তী

উপজেলা মিলে প্রায় ৫০টি গ্রামের শৌখিন মানুষগুলো এ সময় পলো দিয়ে মাছ ধরার উৎসবে মেতে উঠেন।

পলো বাইছাল দলনেতা হামজা মেম্বার বলেন, বাপ-দাদার আমল থেকে পলো দিয়ে মাছ ধরি। নদীমাতৃক আমাদের

এই দেশে পলো দিয়ে মাছ ধরার সংস্কৃতিটা আমরা এখনো টিকিয়ে রেখেছি। পলো দিয়ে বড় বড় রুই,

কাতলা, মৃগেল, শোল, বোয়াল, গোজার, আইর, চিতলসহ অনেক প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়। এখন আর আগের

মত বড় মাছ পাওয়া যায় না। তবুও এভাবে মাছ ধরতে মজা লাগে। শত কষ্টেও তা ছাড়তে পারি নাই।

এভাবে অনেক বাইছালদের সাথে কথা বললে তারা জানান, প্রতিদিন শত শত মানুষের সাথে মাছ ধরার মজাটাই

আলাদা। প্রতিবছর আমরা এই সময় চেয়ে থাকি কখন অগ্রহায়ন মাস আসবে আর মাছ ধরতে যাবো। সব

শ্রেনীর মানুষ এ অঞ্চলে পলো দিয়ে মাছ ধরতে যায় এবং এই উৎসবে মেতে উঠে। #


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451