রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন

হাটহাজারী’র পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্রীড অফিসের সামনে ঝুকির মধ্যে বিদ্যুৎ এর খুটি!

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৬
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

একে.এম নাজিম, হাটহাজারীঃ চট্টগ্রাম হাটহাজারী সড়ক ঘেষে হাটহাজারী পৌর এলাকার এগার মাইল নামক স্থানে ১০০ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও বিদ্যুৎ গ্রীড অফিস রয়েছে। হাটহাজারী সড়ক ঘেষে ঝুকি পূর্ণ একটি খুটি আনুমানিক ২ মাসেরও বেশি সময় ধরে বাঁশের উপর ঠেশ দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অথচ এই ঝুকি পূর্ণ খুটিটি সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ অফিসের কোন কর্মকর্তার নজরে আসছেনা। ঝুঁকিপূর্ণ এই খুটিটি যে কোন মূহুর্ত্তে ধসে পড়ে বড় ধরণের প্রাণ হানীর ঘঁটনাও ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীরা। ফলে উক্ত এলাকার সাধারণ মানুষের পাশা পাশি যানবাহন ও যাত্রীদের মাঝে উৎদ্বেগ ও উৎকন্ঠায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
জানা যায়, চট্টগ্রাম হাটহাজারী সড়কের সস্প্রসারণ কাজ বিগত কয়েক বছর পূর্বে শুরু হয়। কাজের ধীর গতি হওয়ার সুবাদে এখনো কাজ শেষ হতে আরো কয়েক বছর সময় লাগে তার কোন হদীস নেই। সড়কের সম্প্রসার কাজ শুরু হওয়ার ফলে বৈদ্যতিক খুটি গুলো সরানোর কাজ চলছে। ইতিমধ্যে সড়কের পাশে কিছু কিছু বৈদ্যতিক খুটি সরানো হলেও পৌর এলাকার খুটি গুলো এখনো না সরানোর কারণে সড়ক সম্প্রসার কাজের ব্যগাত ঘটছে। কচ্ছপ গতিতে খুটি গুলো সরানোর কাজ চলছে। তবে বৈদ্যতিক খুটি গুলো সরানোর কাজ ধীর গতি হলেও সড়কের কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। যার ফলে সড়কের মাটি কুড়ানোর কারণে বৈদ্যতিক খুটি গুলোর নিছের অংশ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। ফলে খুটি গুলো মারাক্ত ঝুকির মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে। পৌর এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যতিক খুটি গুলোকে বাঁশের ঠেশ দিয়ে রাখা হয়। যে কোন সময় এসব বাঁশ দিয়ে ঠেশ দেওয়া বৈদ্যতিক খুটি ধসে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম হাটহাজারী সড়কে দৈনিক কয়েক হাজার যানবাহন ও কয়েক লাখ জনগন চলাচল করে থাকে যে কোন সময় এই খুটি বাঁশের ঠেশ ভেঙ্গে পড়ার আতঙ্কে রয়েছে অনেকেই। তবে এলাকাবাসীর প্রশ্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও বিদ্যুৎ গ্রীড অফিসের সামনে কি ভাবে বাঁশ দিয়ে ঝুকি পূর্ণ খুটি রাখা হয় তাহা নিয়ে সাধারণ মানষের মনে নানান প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বড় ধরণের কোন তুফান বা ভূমিকম্প হলে এসব খুটি গুলো যে কোন মূহুর্ত্তে ধসে পড়তে পারে। ২ মাসেরও বেশি সময় ধরে খুটি গুলো বাঁশের উপর ঠেশ দিয়ে রাখতে দেখা গেলেও মনে হয় এসব ঝুকিপূর্ণ খুটি গুলোর যেন কোন অভিভাবক নেই। এ ব্যপারে বিদ্যুৎ এর সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সাথে কথা বলতে চাইলে কোন কর্মকর্তা কথা বলতে চাইনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451