শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মণিপুরে ফের সহিংসতা, নিহত ৩

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৪০ বার পড়া হয়েছে
মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সময় বিক্ষোভকারীরা কুশপুত্তলিকা পোড়াচ্ছেন। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের মণিপুরের বিষ্ণুপুর জেলায় নতুন করে সহিংসতা শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা কোয়াক্তা এলাকার মেইতি সম্প্রদায়ের বলে জানা গেছে। কুকি সম্প্রদায়েরও বেশ কয়েকটি বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার গভীর রাতে কুকি সম্প্রদায় এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে বিষ্ণুপুর জেলার কোয়াকতা এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলি হয়েছে। বিষ্ণুপুর পুলিশ জানিয়েছে, মেইতি সম্প্রদায়ের তিনজন নিহত হয়েছে এবং কুকি সম্প্রদায়ের বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন দেয়া হয়েছে।

গুলিতে মণিপুরের এক কমান্ডো মাথায় আঘাত পেয়েছেন। তাকে বিষ্ণুপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নতুন করে সহিংসতার ঘটনার পর বিষ্ণুপুরে পরিস্থিতি বেশ থমথমে অবস্থায় আছে।

পুলিশ বরাত দিয়ে ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাফার জোন পেরিয়ে মেইতেই এলাকায় কয়েকজন মানুষ এসে তাদের ওপর গুলি চালায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্বারা সুরক্ষিত বাফার জোনটি বিষ্ণুপুর জেলার কোয়াকতা এলাকা থেকে ২ কিলোমিটারেরও দূরে তৈরি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মণিপুরের বিষ্ণুপুর জেলায় সশস্ত্র বাহিনী এবং মেইতি সম্প্রদায়ের বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে ১৭ জন আহত হওয়ার দুই দিন পর এই ঘটনা ঘটল। সশস্ত্র বাহিনী এবং মণিপুর পুলিশ জেলার কাংভাই এবং ফুগাকচাও এলাকায় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে প্রায় তিন মাস আগে জাতিগত সহিংসতা শুরু হয়েছিল। তখন থেকে ১৬০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছে এবং শতাধিক আহত হয়েছে। মেইতি সম্প্রদায়ের তফসিলি উপজাতি (এসটি) মর্যাদার দাবির প্রতিবাদে পার্বত্য জেলাগুলোতে একটি ‘উপজাতি সংহতি মার্চ’ সংগঠিত হওয়ার পর ৩ মে সহিংসতা শুরু হয়।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451