শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
নাগেশ্বরীতে সংবাদ টিভির ৫ম তম প্রতিষ্ঠাতা বার্ষিকী উদযাপন ছাত্রলীগের সম্মেলনে আয়োজকদের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে মঞ্চ ছাড়লেন আ. লীগের চার নেতা যশোরে খাবার হোটেলে ঢুকে পড়ল কাভার্ড ভ্যান, পাঁচজনের মৃত্যু সড়ক পরিবহন মালিক ধর্মঘট শুরু, পাবনায় জনদুর্ভোগ চরমে অভিনেত্রী রোশনি ভট্টাচার্যের একই পাত্রকে দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে যাচ্ছেন হবিগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ : দুই আসামির ফাঁসির আদেশ পেনাল্টি কিকগুলো আমি হলেও মিস করতাম না : তসলিমা ডিআরইউ নির্বাচনের পরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে একত্রে বগুড়ায় বস্তিবাসীর তথ্যে দুর্ঘটনার কবল থেকে রক্ষা লালমনি এক্সপ্রেস কভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার সুপারিশ

আবার সন্ত্রাসী সর্বহারা বাহিনীর সদস্যরা সক্রিয় হচ্ছে ,

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০১৬
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ সাইফুল ইসলাম হেলাল শেখ,
ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ-ঢাকা

আবার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বৃদ্ধিসহ পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (সর্বহারা) বাহিনীর সদস্যরা সক্রিয়

হচ্ছে! এই বাহিনীর সদস্যরা সক্রিয় হলে সারাদেশে আবার হত্যাকন্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বাড়বে

বলে অনেকেই আশঙ্কা করছেন। তথ্যে জানা গেছে, কুষ্টিয়া, পাবনা, নাটোর, সিরাজগঞ্জ,বগুড়া, নওগাঁ,

জয়পুরহাট, গাইবান্ধা, রংপুরসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে এই বাহিনীর সদস্যরা ঢাকা ও ঢাকার

আশপাশের বিভিন্ন থানা এলাকায় বসবাস করছে।

তথ্য মতে, কয়েক বছর আগেএই সর্বহারা দলের সদস্যরা সক্রিয় ছিলো, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ অভিযানে

অনেকেই আটক হয় এবং বন্ধুকযুদ্ধে বেশকিছু লিডারসহ অনেক সদস্য নিহত হয়। এর মধ্যে এক দিনেই পাবনার

সুজানগর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বন্ধুকযুদ্ধে ১১ জন সর্বহারা দলের সক্রিয় সদস্য নিহত হয়। এই ভাবে

দেশের বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সর্বহারা দলের সদসরা আটক হতে থাকে, এবং অস্ত্র উদ্ধারে

গিয়ে অনেকেই বন্ধুকযুদ্ধে মারা যায়। এর পর থেকে আটক ও বন্ধুকযুদ্ধে নিহত হওয়ার ভয়ে এই সন্ত্রাসী

সর্বহারা সদস্যরা অনেকেই ই”ছাকৃত ভাবে পুলিশের কাছে ধরা দেয়! দেশের বিভিন্ন জেলখানায় নিরাপদেই

থাকে তারা। অনেকেই ভারতসহ বিভিন্ন দেশে পালিয়ে যায়।

সুত্রে জানা গেছে, পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার বিভিন্ন চর দখল করে সেখানে আস্তানা করে সন্ত্রাসীরা।

ঢালার চর নামক এক চরে পুলিশের এস আইসহ ৩ জন পুলিশকে হত্যা করে সর্বহারা দলের সদস্যরা। তথ্য মতে, বিদেশ

থেকে এসে এবং কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে অনেকেই কিছুদিন আগেও রাজধানী ঢাকায় অনেক

বাসা বাড়ি ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলো এই বাহিনীর সদসরা। এর পর শুরু হয় জঙ্গি বিরোদী অভিযান,বাসা

বাড়ির মালিক ও পুলিশকে দিতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও সকল বৈধ কাগজপত্র। এসব বৈধ কাগজপত্র

দিলে গ্রেফতার হবে তারা। এর ভয়ে, ঢাকার আশেপাশের জেলা, থানা ও ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে

থেকে সক্রিয়ভাবে ঢাকা বিভাগকে তাদের দখলে আনার চেষ্টা করছে বলে অনেকের অভিমত। সুত্রে জানা যায়,

সর্বহারা দলের সদস্য ও জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা এখন হাট,বাজার ও ফুটপাত ব্যবহার করছে, সাধারণ মানুষের

সাথে এসব সন্ত্রাসীরা মিলে-মিশে তারা বাঁচার চেষ্টা করছে। দেশ ও জাতির নিরাপত্তার চিন্তা মাথায় রেখে

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সচেতনতা মূলক বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করলে হয়ত সত্রাসী সর্বহারা ও জঙ্গি হামলা

থেকে মানুষ বাঁচবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451