মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে কেউ দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে  -তথ্যমন্ত্রী  ১৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ সুমন হোসেনের ঈদের শুভেচ্ছা দেশের মানুষের প্রত্যাশা সুশাসিত ও সুন্দর বাংলাদেশ  – -খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী                              আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে ৪টি সংগঠনের সভাপতির অংশগ্রহণ চট্টগ্রামে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, দেশীয় টুপি ও নতুন নোটে বাড়তি আগ্রহ চট্টগ্রাম থেকে অগ্রিম টিকেটে ট্রেনে যাত্রীদের ঈদযাত্রা শুরু সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী  চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদের অভিনন্দন গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে আমাদের কাজ – তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি (র.)-এর আশুলিয়ায় নায়েবে আমির মিজানুর রহমান চিশতির দরবার শরীফে ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত 

সাত বছর ধরে নষ্ট গুরুদাসপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে যন্ত্র

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৬
  • ৩১২ বার পড়া হয়েছে

 

 

গুরুদাসপুর প্রতিনিধি.

 

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে যন্ত্রটি সাত বছর ধরে নষ্ট। প্রায় তিন গুণ বেশি টাকা খরচ করে রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিক থেকে এক্স-রে করাতে হ”েছ।

 

৫০ শয্যার এ স্বা¯’্য কমপ্লেক্সে গুরুদাসপুর উপজেলা ছাড়াও বড়াইগ্রাম, সিংড়া, তাড়াশ ও চাটমোহর উপজেলার রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৩ সালে একটি এক্স-রে যন্ত্র সরবরাহ করা হয়েছিল। অনেকবার নষ্ট হয়ে গেলেও জোড়াতালি দিয়ে কোনো রকমে এত বছর ওই যন্ত্র দিয়ে রোগীদের সেবা দেওয়া হ”িছল। কিন্তু সাত বছর আগে যন্ত্রটি একেবারে অচল হয়ে যায়।

 

উপজেলা স্বা¯’্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আনন্দ মোহন মন্ডল বলেন, সর্বশেষ গত বছরের নভেম্বরে ৩০০ এমএম আকৃতির একটি ডিজিটাল এক্স-রে যন্ত্র চেয়ে নাটোর সিভিল সার্জনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করা হয়। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। অথচ হাসপাতালটিতে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন।

 

গুরুদাসপুর পৌর শহর ঘুরে দেখা গেছে, শহরে সাতটি বেসরকারি ক্লিনিক গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে দুটিতে ডিজিটাল এক্স-রে যন্ত্র রয়েছে। সেখানে ৩০০ টাকার নিচে কোনো পরীক্ষা করা যায় না।

 

উপজেলা স্বা¯’্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসক জানান, বেসরকারি হাসপাতালে ছোট আকারের একটি রঙিন এক্স-রে করাতে ৩০০-৫০০ টাকা লাগে। আর বড় আকারের (ডাবল ভিউ) এক্স-রে করাতে ৮০০-১০০০ টাকা নেওয়া হয়। অথচ সরকারি হাসপাতালে এক্স-রে যন্ত্র সচল থাকলে ১২০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে সেবা পাবেন রোগীরা।

 

জেলা সিভিল সার্জন মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, তিনি এক্স-রে যন্ত্রের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানিয়েছেন। কিন্তু কোনো কাজ হ”েছ না।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451