সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ কর্তৃক ৫২ কেজি গাঁজাসহ একজন পেশাদার মাদক কারবারী গ্রেফতার একটি গাড়ী ‍উদ্ধার বাংলাবাজার পত্রিকার সাংবাদিক জাহাঙ্গীর প্রধানকে প্রাণনাশের হুমকি-আশুলিয়া থানায় জিডি পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে তৎপরতা, আলোচনায় একাধিক নেতা আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে আর কোনদিন রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরের ঐতিহ্যবাহী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে সুশাসন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের সুবাতাস বইছে প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে যুবসমাজ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে : প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাভারে এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নরওয়ের সাথে স্থানীয় সরকারে কারিগরি সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইআরআই প্রতিনিধিদলের বৈঠক

কুড়িগ্রামে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ৯ জুলাই, ২০১৮
  • ৩১০ বার পড়া হয়েছে
কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

বাংলার প্রতিদিন অনলাইন ডেস্কঃ 

কুড়িগ্রামে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি স্থিতিশীল থাকলেও দুধকুমারে এক সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। তবে ধরলায় ১৪ ও তিস্তায় ১০ সেন্টিমিটার পানি কমেছে।

এলাকা জলমগ্ন থাকায় নীচু এলাকার মানুষ এখনো ফিরতে পারেনি। তারা এখনো সরকারি সড়ক বা উঁচু স্থানে অবস্থান করছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, এখনো ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদ-নদী তীরবর্তী এলাকায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। ভেঙে পড়েছে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। বিশুদ্ধ পানির সংকটের কারণে কোনো কোনো এলাকায় বাড়ছে ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত রোগের প্রকোপ।

সদর উপজেলার সন্ন্যাসী বাঁধে আশ্রিত মর্জিনা বেগম জানান, এখনো ঘরবাড়ি থেকে পানি পুরোপুরি নামেনি। তাই পলিথিন টাঙিয়ে তারা বাঁধে আশ্রয় নিয়ে আছেন। একই এলাকার বাহাদুর মিয়া জানান, নলকূপ ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছেন তারা। তার পরিবারসহ আশপাশের প্রায় সব পরিবারে ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে।

কৃষকরা জানিয়েছেন, বন্যায় আমন চারা, পাট, ভুট্টা, কলাসহ ফসলের অনেক ক্ষতি হয়েছে। সারোডোব গ্রামের কৃষক মজিবর রহমান জানান, পাট ক্ষেত পানিতে ঢলে পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ভুট্টা ক্ষেত ডুবে থাকায় বাধ্য হয়ে অপরিপক্ক ভুটা তুলছেন ক্ষেত থেকে। তবে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ৬৮ হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যাকবলিত এলাকায় রবিবার এক হাজার ৭০০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও ৫০ টন চাল বিতরণ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া ৫০ টন জিআর চাল, দুই লাখ টাকা জিআর ক্যাশ এবং ৩০০ প্যাকেট শুকনো খাবার মজুদ রয়েছে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451