রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বাগেরহাটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক দল  চট্টগ্রাম মহানগর প্রস্তুতি কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে যুবলীগ ক্যাডার একাধিক হত্যা মামলার আসামী টেডি দিদার খুন গণমাধ্যমের সমস্যার সমাধানে নিয়মিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে খেলাফত মজলিসের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জামালপুরে আগুনে পুড়িয়ে স্ত্রীকে হত্যা  পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ  ডিএনসিসির তহবিল সংক্রান্ত বিভ্রান্তি দূরীকরণে বর্তমান প্রশাসকের বক্তব্য পাটশিল্পের উন্নতি বাড়াবে কর্মসংস্থান – বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো: শরীফুল আলম নিরাপদ ঈদযাত্রায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি, চাঁদাবাজি ও অতিরিক্ত ভাড়া রোধে কঠোর পদক্ষেপ

পঙ্গুক্তকে জয়করে জীবন যুদ্ধে এগিয়ে চলছেন প্রতিবন্ধী ইসমাইল

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩ জুলাই, ২০১৮
  • ৫০৪ বার পড়া হয়েছে

 

পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) সংবাদদাতা : পীরগঞ্জে ১৫ বছর বয়সী ওয়েলডিং দোকান শ্রমিক
ইসমাইল হোসেন। ২০০৪ সালে ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় কাজের সন্ধ্যানে রাজধানী
ঢাকায় গিয়ে সড়ক দূর্ঘটনায় এক পা হারিয়ে অসহায় পঙ্গুক্তের বোঝা নিয়ে ইসমাইল
গরীব বাবা মায়ের ৭ সদস্যের পরিবারের একজন সদস্য এ নিয়ে তার দুঃখের সংসার। তার
জীবনে নেমে আসে আন্ধকার আবারো শুরু করেন লাঠির উপর ভরদিয়ে চলাফেরা। কিন্তু জীবন
সংগ্রামে পিছিয়ে পড়তে নারাজ তিনি। আবারো তার অদম্য ইচ্ছায় স্থানীয় বাজার
ভেবড়া র্বোড হাটে অন্যের ওয়েলডিং মেশিনের দোকানে শ্রমিক হিসেবে অল্প বেতনে
কাজ করতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে সে অর্থ সংগ্রহ করে নিজে একটি ওয়েলডিং
মেশিনের দোকান দিয়ে পঙ্গুক্তকে জয়করে জীবন যুদ্ধে এগিয়ে চলছেন। জানা যায়,
ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বোর্ডহাট বাদলোহালী গ্রামের খিলিপান দোকানি
মোকশেদ আলীর পুত্র প্রতিবন্ধী ইসমাইল হোসেন (২৮) বাবা মায়ের ৩ ছেলে ২ মেয়ের
মধ্যে তিনি বড়। এ ব্যপারে প্রতিবন্ধী পিতা মোকশেদ আলী বলেন, সড়ক দূর্ঘটনায় পা
হারিয়ে ইসমাইল কোন কাজ করতে পারতো না। আমরা তাকে নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু
এখন আর সে চিন্তা করতে হয় না বরং ঐ দোকানের আয় রোজগার দিয়েই সংসার চলছে।
ছোট ভাই কামরুল হাসান বলেন, সে সময় আমরা ভাবতাম বড় ভাইকে সারাজীবন
ভরণপোষণ দিতে হবে। এখন তার ওয়ালডিং দোকানে আমি কাজ করছি ওকে নিয়ে আমার
গর্ব হয়।
দোকানে ঝালাই কাজে আসা এনজিও কর্মী শামীম বললেন, তিনি প্রতিবন্ধী হলেও কাজে
অনেক দক্ষ মেরামত খরচ কম নেন। ইসমাইল হোসেন বলেন, তার দোকানে এখন পাঁচ জন
কর্মচারী আছেন। প্রতিমাসে তার আয় হয় ১০ হাজার টাকার চেয়েও বেশি । তিনি
আরো বলেন, ইচ্ছাশক্তি থাকলে প্রতিবন্ধীতা কোন বাধা নয়, তার প্রমান আমি নিজেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451