রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
খুলনায় ইটবাহী ট্রলির ধাক্কায় কলেজ অধ্যক্ষ নিহত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল বন্ধ এবং পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্কে আমেরিকান মুসলিম দিবস উপলক্ষে পদযাত্রা হিন্দুদের মন্দিরে বাড়ি-ঘরে-মণ্ডপে হামলা করে, যে পরিচয়ে হোক, এ দুর্বৃত্তদের ক্ষমা নেই : কাদের আলোকিত কুড়িগ্রামের মিলনমেলা-২০২২ অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় সম্মান গার্ড সর্বস্তরের শ্রদ্ধায় রণেশ মৈত্রের শেষকৃত্য সম্পন্ন বাঙালি হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় শারদীয় দুর্গোৎসব সত্য-সুন্দরের আলোয় ভাস্বর হয়ে উঠুক : রাষ্ট্রপতি প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রামেও জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন সানজিদা-কৃষ্ণা-রিতুপর্ণারা রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট বৃহস্পতিবার বন্ধ বাংলাদেশকে বৈদেশিক পরিবর্তনশীল সুদের ঋণ বেড়ে চলেছে

গাজীপুরে ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন ঔষধের ফার্মেসী

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৫ আগস্ট, ২০১৬
  • ১৩৪ বার পড়া হয়েছে

মোঃ নাজিম উদ্দিন, জেলা প্রতিনিধি, গাজীপুর।

গাজীপুর জেলায় মোট ৬টি থানা, এগুলো হলো, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, গাজীপুর সদর, টঙ্গী, কালিয়াকৈর ও কালিগঞ্জ। তার মধ্যে ৩টি পৌরসভা ও ১টি সিটি কর্পোরেশন ও বাকী সব ইউনিয়ন পরিষদ। কিন্তু প্রায় প্রত্যেক উপজেলায় অধিকাংশ ঔষধের ফার্মেসীতে ড্রাগ লাইসেন্স ও ট্রেড লাইসেন্স নেই। ড্রাগ লাইসেন্স প্রদত্ত কর্তৃপক্ষের নিয়মানুযায়ী ঔষধের ফার্মেসীতে টেস্টি স্যালাইন সহ অন্যান্য খাবার জাতীয় দ্রব্য বিক্রি করতে পারবে না। কিন্তু এই অসাধু সুবিধা ভোগী ব্যবসায়ীরা নিজের স্বার্থ্যের জন্য এসব ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এক দিকে যেমন সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে অন্য দিকে অদক্ষ, অজানা ও অল্প শিক্ষিত ঔষধ ব্যবসায়ীর নিকট থেকে অনেকে ঔষধ কিনে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক ফার্মেসীতে বিদেশী ঔষধ, সরকারী জন্ম বিরতি করন পিল, কনডম, ইনজেকশন ও মেয়াদ উত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রি করে। তাতে অনেক মানুষ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। এসব সরকারী ঔষধ কোথায় থেকে আসে তা ক্ষতিয়ে দেখার প্রয়োজন নয় কি? মুদি দোকানি সহ অন্যান্য স্থায়ী ব্যবসায়ীদের বেশিরভাগ দোকানে ট্রেড লাইসেন্স নেই। পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র, চেয়ারম্যান, ওয়ার্ড কমিশনার ও মেম্বার সাহেবগণ স্ব-স্ব এলাকায় সতর্ক নোটিশ ও বিভিন্ন প্রচারের মাধ্যমে জানানো হলে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে না। মুদি দোকানিরা বিশেষ করে রুটি, বিস্কুট, চানাচুর, কেক, বাটার ভন্ড ও পেডিস সহ এই জাতীয় খাদ্য দ্রব্য প্রায় অধিকাংশ প্যাকেটেই উৎপাদনের তারিখ এবং মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ কোন কিছু লেখা নেই। এসব খাবার খেয়ে অনেকেই ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। মুদির দোকানিরা ঔষধ ও মুদি মালামাল একই দোকানে বিক্রি করে। উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা মহোদয়গণ এ বিষয়ে বিশেষ নজরদারী করলে এই জটিল সমস্যা অনেকাংশে কমে আসবে। সচেতন জনসাধারণ মনে করেন জেলা ও উপজেলা প্রসাশন এই অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। যার ফলে সরকার পাবে রাজস্ব ও জনগণ পাবে স্বাস্থ্য ও মান সম্মত ঔষধ

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451