বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ডাক্তারের ভূল চিকিৎসার কারণে পীরগঞ্জ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে মুক্তারিয়া

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৯ মে, ২০১৭
  • ৫২০ বার পড়া হয়েছে

 

জাকির হোসেন, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাও) থেকে : রক্ষ ক্ষরণ বন্ধ করতে

একাধিকবার সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়েছে ঠাকুরগাওয়ের

পীরগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন মুক্তারিয়া নামে এক

সিজারিয়ান রোগীর। তার পরেও বন্ধ হচ্ছে না তার রক্ত ক্ষরণ। ১২ দিন

ধরে মৃত্যু যন্ত্রনায় ভুগছেন তিনি। টাকা পয়সার পাশাপাশি

খোজ খবর নেওয়া তেমন কেউ না থাকায় ডাক্তাররাও বিষয়টির

প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে না বলে অভিযোগ রোগীর স্বজনদের। এ

নিয়ে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে স্বজনদের মাঝে। শনিবার খোজ

নিয়ে জানা যায়, পীরগঞ্জ পৌর শহরের রঘুনাথপুর মহল্লার গরীব

মোজাহারুল ইসলামের স্ত্রী মুক্তারিয়ার প্রসব বেদনা হলে গত ১৫

মে সকালে তাকে নিয়ে আসেন পীরগঞ্জ হাসপাতালে।

হাসপাতালের জুনিয়র কনসালটেন্ট (গাইনী) ডাক্তার নজরুল

ইসলাম সিজারের জন্য রোগীকে শহরের আদর্শ ক্লিনিকে ভর্তি

করাতে বলেন। হাসপাতালে সিজার হবে না এমন কথা শুনার পর বাধ্য

হয়েই স্ত্রীকে ভর্তি করান ঐ ক্লিনিকে। সেখানে মুক্তারিয়ার

সিজার করেন চিকিৎসক নজরুল। সিজারের পর রোগীকে বেডে

দেওয়া হলেও ক্ষত থেকে ঝড়তে থাকে রক্ত। সেখানে ৫ দিন থাকার পরও রক্ত

ঝড়তে থাকে। ওষুধ খেলে ঠিক হয়ে যাবে এই বলে ২০ মে তাকে

বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর রক্ত ক্ষরণ বন্ধ না হলে ২৩ মে

ক্লিনিকে ডাক্তার নজরুলের সাথে দেখা করেন রোগী ও তার

স্বামী। তখন তাদের বলা হয় হাসপাতালে ভর্তি হতে। ২৪ মে

মুক্তারিয়া ভর্তি হন পীরগঞ্জ হাসপাতালে। এরপর হাসপাতালে

আবারো অপারেশন করা হয় তার। তার পরেও বন্ধ হচ্ছে না রক্ত ক্ষরণ। এরই

মধে কয়েক ব্যাগ রক্ত যোগাড় করে ঢুকানো হয় রোগীর শরীরে।

এখনও হাসপাতালেই মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন মুক্তারিয়া।

রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, তারা গরীব হওয়ায় ডাক্তার গুরুত্ব

দিচ্ছে না। তাছাড়া তাদের হয়ে কথা বলার তেমন কেউ না থাকায়

অবহেলা করা হচ্ছে তাদের সাথে। মুক্তারিয়ার মতো অভিযোগ

দিপালী রানীরও। চাদপুরের দিপালীকে শহরের আদর্শ ক্লিনিকে ১০

মে সিজার করেন ডাক্তার নজরুল। এরপর বাড়ি ফিরলে দেখা দেয়

ইনফেকশন। পরে তাকেও ভর্তি করা হয় হাসপাতাতে। তিনি

বর্তমানে হাসপাতালেও ডেলিভারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন

রয়েছেন। তবে তার অবস্থা এখন উন্নতির দিকে। এ বিষয়ে ডাক্তার

নজরুলের বক্তব্য, চিকিৎসা করতে গেলে দু’একটা দুর্ঘটনা

হতেই পারে। সমস্যা নেই, কিছু হবে না। ঠিক হতে হয়তো

একটু সময় লাগবে।


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451