বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আশুলিয়ার বিএনপি নেতা হেলাল উদ্দিন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক শফিক সাগর: সংগ্রাম থেকে সাফল্যের গল্প পরিবেশ মন্ত্রীর সঙ্গে সাউথ এশিয়া কো-অপারেটিভ এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ আশুলিয়ায় গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক ব্যবসায় ফুলেফেঁপে উঠছে কারবারিরা লাখ লাখ টাকার মালিক আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং ও মাদক সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে দুই ডাকাত ও কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্যসহ ৫জন গ্রেফতার ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় “জামগড়া পুলিশ ক্যাম্পের” শুভ উদ্বোধন আশুলিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত! রাজবাড়ী থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাস দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় নিখোঁজ অর্ধশশতাধিক মানুষ! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ: বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত ও পুলিশ সংস্কারে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার আশ্বাস

ঝিনাইদহের অসহায় চিত্রা নদী-দখল করে বাঁধ দিয়ে অবাধে চলছে মাছ নিধন !

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০১৬
  • ৩৯০ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের চিত্রা নদী দখল করে, বাঁধ দিয়ে অবাধে চলছে মাছ

নিধন। প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রতিনিয়ত এই কাজটি করে চলেছে

এলাকার প্রভাবশালী একটি মহল। এতে করে একদিকে যেমন পানির প্রবাহ

বাধাগ্রস্ত হচ্ছে তেমনি মাছের প্রজননও হুমকির মুখে। এমনই এক অসহায়

নদী হচ্ছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের চিত্রা।

শালিখা, মস্তবাপুর, ফরাসপুর, বারইপাড়া, সিংগী, গোমরাইল, নগর চাপরাইল,

একতারপুর, বনখির্দ্দা, ইছাখালীসহ একাধিক গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে,

অনেকেই নদীর মধ্যে বাঁধ দিয়ে ডিমওয়ালা মাছ ধরছেন। বিষয়টি সম্পূর্ণ

অবৈধ হলেও দেখার কেউ নেই।

চাপরাইল গ্রামের নাজমুল ইসলাম জানান, দেশে অনেক আইন আছে কিন্তু

আইনের প্রয়োগ নেই। গত বছর ভ্রাম্যমাণ আদালত সোনাতন মালোকে এক

হাজার ও বারই পাড়া গ্রামের বুল্লাকে ১৫শ টাকা জরিমানা করে। অথচ

জরিমানা দেয়ার কয়েকদিন পর থেকে তারা আবারও নদীতে বাঁধ দেয়।

আব্দুর রাজ্জাক বিশ্বাস জানান, বাঁধ দিয়ে মাছ ধরা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এক-

দুই হাজার টাকা জরিমানা করে কোনো লাভ নেই।

কালীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুর রহমান রেজা জানান, নদীতে

বাঁধ দিয়ে মাছ ধরা আইনগত দন্ডনীয় অপরাধ। নদীতে যদি বাঁশ ও মশারি

দিয়ে বাঁধ দেয়ায় মাছের প্রজননে সমস্যা হয়, রেনু পোনা মারা যায় তাহলে

আপানারা তথ্য দিয়ে সহায়তায় করলে ইউএনও স্যারকে সঙ্গে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ

আদালত বসানো হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মানোয়ার হোসেন মোল্লা জানান, ভ্রাম্যমাণ

আদালত একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা খুব শিগগিরই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা

নেব।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451