বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

দুই জেল সুপারসহ তিনজনের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছে হাই কোর্ট

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০১৬
  • ৪০৩ বার পড়া হয়েছে

জামিননামা কারাগারে পৌঁছানোর পরও তিন আসামিকে মুক্তি না দেওয়ার বিষয়ে দুই জেল সুপারসহ তিনজনের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছে হাই কোর্ট।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির, কাশিমপুর কারাগার-১ এর জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা ও অ্যাডভোকেট অন-রেকর্ড সুফিয়া খাতুনকে আগামী সোমবার লিখিত বক্তব্য দিতে বলা হয়েংছে।

আসামিপক্ষের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৫ জুন হাই কোর্ট সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেয়।

এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ঢাকার জ্যেষ্ঠ জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির ও অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড সুফিয়া খাতুন আদালতে উপস্থিত হন। আসামিরা কাশিমপুর কারাগারে থাকায় কাশিমপুর কারাগার-১ এর জেল সুপার সুব্রত কুমার বালাও আদালতে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য তুলে ধরেন।

শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফরিদ আহাম্মদ ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ তাদের লিখিতভাবে জবাব দাখিল করতে বলেন।

আদালতে আসামিপক্ষে আইনজীবী রুহুল আমিন ভূইয়া, আদিলুর রহমান খান শুভ্র ও মো. ইউসুফ আলী উপস্থিত ছিলেন। জেল সুপারদের পক্ষে ছিলেন ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম।

পরে মো. ইউসুফ আলী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “তিনজন মৌলিকভাবে বক্তব্য দিয়েছেন। আদালত তাদের বক্তব্য ১৩ জুন লিখিতভাবে দিতে বলেছে। যেহেতু হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়নি, ফলে তাদের ওইদিন হাজির হতে হবে।”

মামলার বিবরণে জানা যায়, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে গত ২ জানুয়ারি রামপুরা থানায় একটি মামলা হয়। ঘটনাস্থল থেকে ওইদিন গিয়াসউদ্দিন, আমিনুর রহমান, ওসমান গণি, আবুল হাশেম ও শাহাদাতুর রহমান ওরফে সোহেল গ্রেপ্তার হন।

এ মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে আসামিরা উচ্চ আদালতে যান। ৮ মে হাই কোর্ট পাঁচজনকে ছয় মাসের জামিন দেয়।

আসামিপক্ষের এক আইনজীবী জানান, উচ্চ আদালতের জামিন আদেশের পর জামিননামা ১৬ মে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে। ১৮ মে আবুল হাশেম ও শাহাদাতুর মুক্তি পেলেও অন্য তিনজন মুক্তি পাননি।

এ অবস্থায় তিনজনের ক্ষেত্রে ৮ মে হাই কার্টের দেওয়া আদেশ বাস্তবায়নের নির্দেশনা চেয়ে সম্পূরক আবেদন করা হয়, যার ওপর শুনানি নিয়ে ৫ জুন হাই কোর্ট তলবের আদেশ দেয়


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451