বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে কোনো পশু সংকট নেই – সাভারে মন্ত্রী আমিন উর রশিদ সাভার ও আশুলিয়ায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়িতে বসবাসে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জনগণ প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করতে সরকার-বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী   কুমিল্লার নাগরিক সেবায় নতুন অধ্যায়: গঠিত হচ্ছে ওয়াসা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে ছোট পাইপ স্থাপনের অভিযোগ আশুলিয়ার জামগড়া ইস্টার্ন হাউজিং বাজারে জলাবদ্ধতায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির, ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ গৃহবধূ হত্যা মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার! আশুলিয়ার বাইপাইল- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কতৃক অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র অপহরণের পর হত্যা: ২০ মাস পর লাশ উত্তোলন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

রাডার দুর্নীতির মামলায় খালাস পেলেন এরশাদ

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় বুধবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৭
  • ২৬২ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ  রাডার ক্রয়সংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় খালাস পেলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। অপর আসামিদেরও খালাস দেন আদালত।আজ বুধবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. কামরুল হোসেন মোল্লা এ রায় দেন।

এর আগে ১২ এপ্রিল যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এদিন ঠিক করেন আদালত।রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন এরশাদ। বেলা সোয়া ৩টার দিকে আদালতে আসেন তিনি।মামলায় এরশাদ ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান সুলতান মাহমুদ, সাবেক সহকারী প্রধান মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ও ইউনাইটেড ট্রেডার্সের পরিচালক এ কে এম মুসা (মৃত)।

রায়ের পর্যবেক্ষনে আদালত বলেন, প্রসিকিউশন গুরুত্বপূর্ণ নথি ও সাক্ষী উপস্থাপনে ব্যর্থ হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি।
এরশাদের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হয়েছে। রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে এরশাদ নির্দোষ। এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ মামলা।
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় দুদক আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম সাংবাদিকদের বলেন, রায়ে আমরা অসন্তোষ প্রকাশ করছি। অনুলিপি পাওয়ার পর আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ১৯৯২ সালের ৪ মে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো মামলাটি করে।

এরপর ১৯৯৪ সালের ২৭ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ১৯৯৫ সালের ১২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এই মামলায় ৩৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষী নিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান এরশাদসহ অপর আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্ত হয়ে থমসন সিএসএফ কোম্পানির রাডার না কিনে বেশি দামে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টিং কোম্পানির রাডার কেনে।

এতে সরকারের ৬৪ কোটি ৪ লাখ ৪২ হাজার ৯১৮ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়।১৯৯২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি নিম্ন আদালত ওই মামলায় এরশাদকে তিন বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। ওই সাজার রায়ের বিরুদ্ধে ওই বছরই তিনি আপিল করেন।

২০১৪ সালের ১৫ মে এ মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন এরশাদ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে লিখিত বক্তব্য দেন।সেদিন অন‌্য দু’ আসামি বিমান বাহিনীর সাবেক দু’ শীর্ষ কর্মকর্তা মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ও সুলতান মাহমুদও নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বক্তব‌্য দেন। অন্য আসামি এ কে এম মুসা শুরু থেকেই পলাতক ছিলেন


প্রিন্ট

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © banglarprotidin.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451