ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ চলমান থাকায় একদিকে যেমন সড়ক সংকুচিত হয়ে পড়েছে, অন্যদিকে সড়কের জায়গা দখল করে দোকানপাট ও অস্থায়ী বাজার বসানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আশুলিয়ার ইউনিক, শিমুলতলা, জামগড়া ও নরসিংহপুর এলাকায় মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে দোকানপাট ও অস্থায়ী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বসানো হয়েছে। ফলে ব্যস্ত সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেই সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। বিশেষ করে পথচারীদের এক পাশ থেকে অন্য পাশে সড়ক পারাপারে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
বুধবার ২৬ আগস্ট সরেজমিনে গেলে কয়েকজন দোকানদার জানায়, কৌশলে সড়কের জায়গা দখল করে ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির মাধ্যমে দোকানপ্রতি কৌশলে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এভাবে টাকা আদায় করা হলেও বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
নির্মাণকাজের পাশাপাশি সড়কের জায়গা দখল, অবৈধ দোকানপাট ও কথিত চাঁদা আদায়ের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে জরুরি রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স, কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও দূরপাল্লার যাত্রীদেরও সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও নির্মাণকাজের কারণে জনদুর্ভোগ কমাতে অতিরিক্ত জনবল, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, সরকারি গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পের নির্মাণের জায়গা কীভাবে দখল করছে কারা?