সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ০৬:৩১ অপরাহ্ন

সালমারা আত্মবিশ্বাসী আগের চেয়ে বেশি, বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটে

অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইম সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের জন্য কিছুটা অন্যরকমই। কেন যেন এবারের আসরে খেলতে নামার আগে আত্মবিশ্বাস অনেক বেশি। অধিনায়ক সালমা খাতুনের ভাষায়, ‘অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।’ আইসিসি ওয়েবসাইটে লেখা এক কলামে সালমা ব্যাখ্যা করেছেন, কেন এবার তাঁর দল আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী।

সালমার কলামে প্রথমেই উঠে এসেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিশ্বকাপ জয়ের প্রসঙ্গ। মেয়েদের দল ‘ছোট ভাই’দের কাছ থেকেই মূলত প্রেরণাটা নিচ্ছে, ‘আমাদের অনূর্ধ্ব-১৯ দল দেখিয়ে দিয়েছে যখন কোনো দলের মধ্যে প্রত্যয়, প্রতিভা আর পরিশ্রমের সুন্দর সংমিশ্রণ ঘটে, তখন সে দলটি কী করতে পারে! উনিশের যুবারা আমার জন্যও বিরাট প্রেরণা ও আত্মবিশ্বাসের উৎস।’

যুবাদের জন্য গোটা দেশের মানুষের যে গর্ব, সেটি ছুঁয়ে গেছে সালমাদেরও। সেই গর্বকে উৎস করেই এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভালো কিছু করতে চান তাঁরা, ‘যুবারা দক্ষিণ আফ্রিকায় যা করে দেখিয়েছে, তাতে আমরা অনেক বেশি গর্বিত। এখন আমরা দেখতে চাই অস্ট্রেলিয়াতে আমরা কতটা কী করতে পারি।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চটা অনেক বড়। অস্ট্রেলিয়ায় এ আসর বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের জন্য বড় একটা সুযোগও। এ টুর্নামেন্টে ভালো করলে দেশের নারী ক্রিকেট যে কতটা এগিয়ে যাবে, সেটা খুব ভালো করেই জানেন সালমা, ‘আমরা খুবই রোমাঞ্চিত। গোটা দলই বিশ্বকাপের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। এই টুর্নামেন্ট কিন্তু অনেক বড় একটা মঞ্চও। আমরা যে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি, সেটি সারা দুনিয়াকে দেখিয়ে দেওয়ার বড় সুযোগও এটি।’

বিশ্বকাপে আজ নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে খেলা। এ ম্যাচের আগে ২০১৮ এশিয়া কাপের স্মৃতি খুব করেই মনে পড়ছে সালমার। যেভাবে এশিয়া কাপে সব ভবিষ্যদ্বাণীকে মিথ্যা প্রমাণ করে শিরোপা জিতেছিলেন তাঁরা, বাংলাদেশ অধিনায়ক প্রেরণা হিসেবে নিচ্ছেন সেটিকেই, ‘ক্রিকেট দুনিয়ার সেরা কয়েকটি দল আমাদের গ্রুপে আছে বিশ্বকাপে। কিন্তু মূল প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যাওয়ার পর কোন দল শক্তিশালী, কোনটা দুর্বল, এসব নিয়ে ভাবার কোনো অবকাশ নেই। আমরা ২০১৮ সালে কুয়ালালামপুরে এশিয়া কাপ জিতেছিলাম সব ভবিষ্যদ্বাণীকে মিথ্যে প্রমাণ করে। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও আমরা একই মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামব।’

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ইরান বিভিন্ন জনাকীর্ণ কারাগারের ৫৪ হাজারের বেশি বন্দীকে সাময়িক মুক্তি দিয়েছে। বিচার বিভাগবিষয়ক মুখপাত্র গোলাম হোসেন ইসমাইলি সাংবাদিকদের এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, করোনাভাইরাসে সৃষ্ট রোগ কোভিড-১৯ পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসার পর ওই বন্দীদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বিবিসি অনলাইনের খবরে বলা হয়, ব্যাপক হারে জামিন দেওয়া হলেও পাঁচ বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত ‘নিরাপত্তা বন্দীদের’ ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হয়নি। আর এই গণজামিনের ঘটনায় ইরানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ দাতব্যকর্মী নাজানিন জাঘারি-র‌্যাটক্লিফ খুব শিগগির মুক্তি পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ এমপি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি টিউলিপ সিদ্দিক। খবরে টিউলিপ সিদ্দিকের টুইটার পোস্ট তুলে ধরে বলা হয়েছে, তিনি বলেন, জাঘারি-র‌্যাটক্লিফ আজ-কালের মধ্যে মুক্তি পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত। নাজানিনের মুক্তি চেয়ে ‘হ্যাশট্যাগ ফ্রি নাজানিন’ লিখে দ্বিতীয় পোস্টে টিউলিপ বলেন, ‘যদি এই সাময়িক মুক্তির ঘটনা ঘটে, তবে ব্রিটিশ সরকারের এটিকে (মুক্তি) স্থায়ী করার দায়িত্ব থেকে যায়। তাঁকে যেন দর-কষাকষির বস্তু হতে না দেওয়া হয়। আমি আরও উদ্বেগ প্রকাশ করছি যে নাজানিন তাঁর পরিবারকে জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের জন্য এখনো তাঁকে পরীক্ষা করা হয়নি।’ ব্রিটিশ-ইরানি নাগরিক নাজানিনের স্থায়ী মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক। ছবি: টিউলিপ সিদ্দিকের টুইটার থেকে ব্রিটিশ-ইরানি নাগরিক নাজানিনের স্থায়ী মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক। ছবি: টিউলিপ সিদ্দিকের টুইটার থেকে এদিকে নাজানিনের স্বামী গত শনিবার দাবি করেছেন, তেহরানের ইভিন কারাগারে তাঁর স্ত্রীর কোভিড-১৯ সংস্পর্শ ঘটেছে। তবে কর্তৃপক্ষ তাঁকে পরীক্ষা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এ ব্যাপারে বিচার বিভাগবিষয়ক মুখপাত্র গোলাম হোসেন ইসমাইলি বলেছেন, নাজানিনের সঙ্গে পরবর্তী সময়ে তাঁর পরিবারের যোগাযোগ হয়েছে এবং তিনি পরিবারকে জানিয়েছেন, তিনি সুস্থ আছেন। ২০১৬ সালে নাজানিনকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে পাঁচ বছরের জেল দেয় ইরান। তবে নাজানিন ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ব্রিটিশ সরকারও নাজানিনকে নির্দোষ দাবি করেছে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, ব্রিটিশ-ইরানি দ্বৈত নাগরিকদের পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে ব্রিটিশ স্বাস্থ্যকর্মীদের ইভিন কারাগারে ঢোকার অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ইরানের কাছে। বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯–এ আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৯০ হাজারের বেশি। মারা গেছেন ৩ হাজার ১১০ জন। এর বেশির ভাগই চীনের। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ভাইরাসটি ছড়ায়। চীনের বাইরে দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান ও ইতালির পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। গতকাল মঙ্গলবার ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেখানে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩৩৬ জন। তবে প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। ৭৭ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে আফগানিস্তান, কানাডা, লেবানন, পাকিস্তান, কুয়েত, বাহরাইন, ইরাক, ওমান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারাও ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। কোভিড-১৯–এ আক্রান্ত হয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ৭১ বছর বয়সী মীর মোহাম্মদি মারা গেছেন। দেশটির ২৯০ জন এমপির মধ্যে ২৩ জনের পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। সবশেষ আক্রান্ত হয়েছেন জরুরি স্বাস্থ্যসেবার প্রধান পিরহোসেইন কোলিভান্দ।

© All rights reserved © 2019 banglarprotidin
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451