সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ০৭:২৯ অপরাহ্ন

ঘাড়ব্যথায় ভুগছেন? কারণগুলো জেনে নিন

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০১৯
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে

জীবনের কোনো না কোনো সময়ে ঘাড় ব্যথায় ভোগে না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। দীর্ঘক্ষণ একটি অঙ্গবিন্যাসে বসে থাকা, কম্পিউটারের সামনে ঝুঁকে বসে থাকা, ঘাড় নিচু করে টানা মোবাইল ব্যবহার করা ইত্যাদি ঘাড় ব্যথার কিছু কারণ।

ঘাড়ব্যথার কারণের বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ৩৪৬৬তম পর্বে কথা বলেছেন অধ্যাপক ডা. মো. আলতাফ হোসেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও লেজার ফিজিওথেরাপির প্রধান পরামর্শক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : ঘাড়ব্যথা সাধারণত কোন কোন কারণে হয়?

উত্তর : ঘাড়ব্যথার অসংখ্য কারণের মধ্যে বিশেষ ও প্রথম কারণ হলো, কম্পিউটারে কাজ করা। অর্থাৎ আপনার চিবুক যখন সামনে চলে আসবে, তখন ঘাড়ে চাপ পড়ে। ঘাড়ের নিচে সাব অক্সিউটাল পেশি রয়েছে, ডান পাশে চারটি, বাম পাশে চারটি। সে চাপ দেয় এবং ছোট হয়ে যায়। আরেকটি হলো, সারা দিন মোবাইল ফোন ব্যবহার করা, টেক্সট পাঠানো। আরেকটি হলো, আমরা যে ব্যাংকে কাজ করি, এর কারণেও ঘাড়ব্যথা হয়। ব্যাংকে সারা দিন অফিসাররা বসে কাজ করছে। অর্থাৎ যারা বসে কাজ করে, একই অবস্থানে অনেকক্ষণ ধরে থাকে, তাদের ঘাড়ব্যথা হতে পারে।

ঢাকা রিকশার শহর। আমরা রিকশায় যাচ্ছি। আনমনে যাচ্ছি। একটি রিকশা আরেকটিকে হঠাৎ করে ধাক্কা দেয়। তখন আমাদের ঘাড়টি সামনে গিয়ে আবার পেছনে আসে। একে ইউরোপীয়ান মানুষ বলে ওইপ্লাস ইনজুরি। তাহলে সেখানে ছোট আঘাত প্রতিদিন লাগছে, যেটি আমরা বুঝি না। এতে ঘাড়ের পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। মেরুদণ্ডের যে কারভেসার থাকে, তার পরিবর্তন হয়। ঘাড়ব্যথার থেকে মাথাব্যথা হচ্ছে। বেশিরভাগ রোগী এখন আমরা এই সমস্যার পাচ্ছি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ইরান বিভিন্ন জনাকীর্ণ কারাগারের ৫৪ হাজারের বেশি বন্দীকে সাময়িক মুক্তি দিয়েছে। বিচার বিভাগবিষয়ক মুখপাত্র গোলাম হোসেন ইসমাইলি সাংবাদিকদের এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, করোনাভাইরাসে সৃষ্ট রোগ কোভিড-১৯ পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসার পর ওই বন্দীদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বিবিসি অনলাইনের খবরে বলা হয়, ব্যাপক হারে জামিন দেওয়া হলেও পাঁচ বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত ‘নিরাপত্তা বন্দীদের’ ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হয়নি। আর এই গণজামিনের ঘটনায় ইরানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ দাতব্যকর্মী নাজানিন জাঘারি-র‌্যাটক্লিফ খুব শিগগির মুক্তি পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ এমপি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি টিউলিপ সিদ্দিক। খবরে টিউলিপ সিদ্দিকের টুইটার পোস্ট তুলে ধরে বলা হয়েছে, তিনি বলেন, জাঘারি-র‌্যাটক্লিফ আজ-কালের মধ্যে মুক্তি পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত। নাজানিনের মুক্তি চেয়ে ‘হ্যাশট্যাগ ফ্রি নাজানিন’ লিখে দ্বিতীয় পোস্টে টিউলিপ বলেন, ‘যদি এই সাময়িক মুক্তির ঘটনা ঘটে, তবে ব্রিটিশ সরকারের এটিকে (মুক্তি) স্থায়ী করার দায়িত্ব থেকে যায়। তাঁকে যেন দর-কষাকষির বস্তু হতে না দেওয়া হয়। আমি আরও উদ্বেগ প্রকাশ করছি যে নাজানিন তাঁর পরিবারকে জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের জন্য এখনো তাঁকে পরীক্ষা করা হয়নি।’ ব্রিটিশ-ইরানি নাগরিক নাজানিনের স্থায়ী মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক। ছবি: টিউলিপ সিদ্দিকের টুইটার থেকে ব্রিটিশ-ইরানি নাগরিক নাজানিনের স্থায়ী মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক। ছবি: টিউলিপ সিদ্দিকের টুইটার থেকে এদিকে নাজানিনের স্বামী গত শনিবার দাবি করেছেন, তেহরানের ইভিন কারাগারে তাঁর স্ত্রীর কোভিড-১৯ সংস্পর্শ ঘটেছে। তবে কর্তৃপক্ষ তাঁকে পরীক্ষা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এ ব্যাপারে বিচার বিভাগবিষয়ক মুখপাত্র গোলাম হোসেন ইসমাইলি বলেছেন, নাজানিনের সঙ্গে পরবর্তী সময়ে তাঁর পরিবারের যোগাযোগ হয়েছে এবং তিনি পরিবারকে জানিয়েছেন, তিনি সুস্থ আছেন। ২০১৬ সালে নাজানিনকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে পাঁচ বছরের জেল দেয় ইরান। তবে নাজানিন ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ব্রিটিশ সরকারও নাজানিনকে নির্দোষ দাবি করেছে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, ব্রিটিশ-ইরানি দ্বৈত নাগরিকদের পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে ব্রিটিশ স্বাস্থ্যকর্মীদের ইভিন কারাগারে ঢোকার অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ইরানের কাছে। বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯–এ আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৯০ হাজারের বেশি। মারা গেছেন ৩ হাজার ১১০ জন। এর বেশির ভাগই চীনের। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ভাইরাসটি ছড়ায়। চীনের বাইরে দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান ও ইতালির পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। গতকাল মঙ্গলবার ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেখানে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩৩৬ জন। তবে প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। ৭৭ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে আফগানিস্তান, কানাডা, লেবানন, পাকিস্তান, কুয়েত, বাহরাইন, ইরাক, ওমান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারাও ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। কোভিড-১৯–এ আক্রান্ত হয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ৭১ বছর বয়সী মীর মোহাম্মদি মারা গেছেন। দেশটির ২৯০ জন এমপির মধ্যে ২৩ জনের পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। সবশেষ আক্রান্ত হয়েছেন জরুরি স্বাস্থ্যসেবার প্রধান পিরহোসেইন কোলিভান্দ।

© All rights reserved © 2019 banglarprotidin
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451