সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ০৮:০৮ অপরাহ্ন

খালেদা জিয়া মুক্ত হলে গণতন্ত্রও মুক্ত হবে : রিজভী

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম শনিবার, ১১ মে, ২০১৯
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেক্স:

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার জানে, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মুক্ত হলে, গণতন্ত্র মুক্ত হবে। আর গণতন্ত্র মুক্ত হলে অন্যায়ের প্রতিবাদ হবে। এ জন্যই গণতন্ত্রকে কারাগারে প্রকোষ্ঠিত করতে বেগম জিয়াকে অন্যায়ভাবে ফরমায়েশি রায়ের মাধ্যমে আটকে রেখেছে।

রিজভী বলেন, দুর্নীতির মামলার সঙ্গে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।

আজ শনিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জে নার্স শাহীনূর আক্তার তানিয়াকে গণধর্ষণের পর হত্যার প্রতিবাদে রাজধানীর নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত মানববন্ধনে রিজভী এসব কথা বলেন।

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহম্মেদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে মহিলা দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রিজভী বলেন, এ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পাইকারি হারে নারী নির্যাতন হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকার নারী হওয়ার পরও নারীদের ওপর এ সামাজিক অপরাধ রোধ করতে পারছেন না। কারণ এসব অপরাধে যারা জড়িত তারা অধিকাংশই সরকার দলীয় লোকজন হওয়ায় অপরাধের বিচার থেকে পার পেয়ে যাচ্ছে।

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, সরকার এসব ধর্ষক ও খুনিদের কারাগারে আটকে না রেখে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, হাবিব-উন-নবী খান সোহেলদের মতো রাজনীতিবিদদের কারাগারে আটকে রেখেছেন। তিনি বলেন, সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সব কয়টি মামলায় জামিন হওয়ার পরও নতুন করে আবার দুটি মামলা দিয়ে কারাগারে আটকে রেখেছে। কারণ টুকুদের মুক্তি দেওয়া হলে সরকারের অন্যায়ের প্রতিবাদ হবে। তাই তাদের জেলের বাইরে থাকার অধিকার নেই।

মানববন্ধন শেষে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে মহিলা দলের নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন। বিক্ষোভ মিছিলটি বিএনপি অফিসের সামনে থেকে শুরু হয়ে কাকরাইল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের মোড় ঘুরে আবার অফিসে এসে শেষ হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ইরান বিভিন্ন জনাকীর্ণ কারাগারের ৫৪ হাজারের বেশি বন্দীকে সাময়িক মুক্তি দিয়েছে। বিচার বিভাগবিষয়ক মুখপাত্র গোলাম হোসেন ইসমাইলি সাংবাদিকদের এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, করোনাভাইরাসে সৃষ্ট রোগ কোভিড-১৯ পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসার পর ওই বন্দীদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বিবিসি অনলাইনের খবরে বলা হয়, ব্যাপক হারে জামিন দেওয়া হলেও পাঁচ বছরের বেশি সাজাপ্রাপ্ত ‘নিরাপত্তা বন্দীদের’ ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হয়নি। আর এই গণজামিনের ঘটনায় ইরানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ দাতব্যকর্মী নাজানিন জাঘারি-র‌্যাটক্লিফ খুব শিগগির মুক্তি পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ এমপি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি টিউলিপ সিদ্দিক। খবরে টিউলিপ সিদ্দিকের টুইটার পোস্ট তুলে ধরে বলা হয়েছে, তিনি বলেন, জাঘারি-র‌্যাটক্লিফ আজ-কালের মধ্যে মুক্তি পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত। নাজানিনের মুক্তি চেয়ে ‘হ্যাশট্যাগ ফ্রি নাজানিন’ লিখে দ্বিতীয় পোস্টে টিউলিপ বলেন, ‘যদি এই সাময়িক মুক্তির ঘটনা ঘটে, তবে ব্রিটিশ সরকারের এটিকে (মুক্তি) স্থায়ী করার দায়িত্ব থেকে যায়। তাঁকে যেন দর-কষাকষির বস্তু হতে না দেওয়া হয়। আমি আরও উদ্বেগ প্রকাশ করছি যে নাজানিন তাঁর পরিবারকে জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের জন্য এখনো তাঁকে পরীক্ষা করা হয়নি।’ ব্রিটিশ-ইরানি নাগরিক নাজানিনের স্থায়ী মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক। ছবি: টিউলিপ সিদ্দিকের টুইটার থেকে ব্রিটিশ-ইরানি নাগরিক নাজানিনের স্থায়ী মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক। ছবি: টিউলিপ সিদ্দিকের টুইটার থেকে এদিকে নাজানিনের স্বামী গত শনিবার দাবি করেছেন, তেহরানের ইভিন কারাগারে তাঁর স্ত্রীর কোভিড-১৯ সংস্পর্শ ঘটেছে। তবে কর্তৃপক্ষ তাঁকে পরীক্ষা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এ ব্যাপারে বিচার বিভাগবিষয়ক মুখপাত্র গোলাম হোসেন ইসমাইলি বলেছেন, নাজানিনের সঙ্গে পরবর্তী সময়ে তাঁর পরিবারের যোগাযোগ হয়েছে এবং তিনি পরিবারকে জানিয়েছেন, তিনি সুস্থ আছেন। ২০১৬ সালে নাজানিনকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে পাঁচ বছরের জেল দেয় ইরান। তবে নাজানিন ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ব্রিটিশ সরকারও নাজানিনকে নির্দোষ দাবি করেছে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, ব্রিটিশ-ইরানি দ্বৈত নাগরিকদের পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে ব্রিটিশ স্বাস্থ্যকর্মীদের ইভিন কারাগারে ঢোকার অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ইরানের কাছে। বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯–এ আক্রান্তের সংখ্যা এখন ৯০ হাজারের বেশি। মারা গেছেন ৩ হাজার ১১০ জন। এর বেশির ভাগই চীনের। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ভাইরাসটি ছড়ায়। চীনের বাইরে দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান ও ইতালির পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। গতকাল মঙ্গলবার ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেখানে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩৩৬ জন। তবে প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি বলে মনে করা হচ্ছে। ৭৭ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে আফগানিস্তান, কানাডা, লেবানন, পাকিস্তান, কুয়েত, বাহরাইন, ইরাক, ওমান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারাও ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। কোভিড-১৯–এ আক্রান্ত হয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ৭১ বছর বয়সী মীর মোহাম্মদি মারা গেছেন। দেশটির ২৯০ জন এমপির মধ্যে ২৩ জনের পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। সবশেষ আক্রান্ত হয়েছেন জরুরি স্বাস্থ্যসেবার প্রধান পিরহোসেইন কোলিভান্দ।

© All rights reserved © 2019 banglarprotidin
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451