মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ০৬:৫১ অপরাহ্ন

বিদেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশে তৈরি ফার্নিচার

বাংলার প্রতিদিন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৬ জুলাই, ২০১৮
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

 অনলাইন ডেস্কঃ বিদেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশে তৈরি আসবাব ও গৃহস্থালি পণ্য। গত এক দশক ধরে এই পণ্য রপ্তানি থেকে বাড়ছে আয়। ফলে বিশ্ববাজারে দখল নিতে শুরু করেছে বাংলাদেশের আসবাবপত্র।সদ্য শেষ হওয়া ২০১৭-১৮ অর্থবছরে পণ্যটি রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৬ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৫২৩ কোটি টাকা।

এর আগের অর্থবছরে এই আয় ছিল ৫ কোটি ২৫ লাখ ডলার বা প্রায় ৪২৫ কোটি টাকা। সে হিসেবে বছর ব্যবধানে আসবাব রপ্তানি বেড়েছে প্রায় শতকোটি কোটি টাকা।  সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গুণগতমান এবং যুগোপযোগী নকশায় আসবাবপত্র তৈরির ফলে বিদেশিদের কাছে বাংলাদেশের আসবাবপত্র প্রিয় হয়ে উঠছে। তাই নতুনত্ব আর আধুনিকতায় গত এক দশকে অনেক দূর এগিয়েছে বাংলাদেশের আসবাবপত্র শিল্প।বর্তমানে আরব বিশ্ব বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মূলত বাংলাদেশে তৈরি আসবাবপত্র রপ্তানি হচ্ছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য মতে, বিগত অর্থবছরে আসবাবপত্র রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ কোটি ১০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে রপ্তানি আয় হয়েছে ৬ কোটি ৩১ লাখ ডলারের। সুতরাং লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২১ লাখ ডলার রপ্তানি আয় বেশি হয়েছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ আসবাবপত্র রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি কে এম আক্তরাজ্জামান বলেন,নিত্য নতুন নকশা,মানসম্মত কাঠ আর কারিগরদের দক্ষতায় তৈরি করা বাংলাদেশের আসবাবপত্রের মান খুব ভালো। ফলে প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক বাজারে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারের বিপুল চাহিদা মেটাতেও সক্ষম হচ্ছে।

ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ ও বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য গুনগতমান উন্নয়ন এবং ডিজাইনে প্রতিনিয়ত নতুনত্ব আনা হচ্ছে বলে জানান তিনি।এ খাতের উদ্যোক্তরা বলছেন,আসবাবপত্র শিল্পের বিশ্ববাজারে বর্তমানে বাংলাদেশকে চীনের বিকল্প ভাবা হচ্ছে।

কানাডা,চীন, ইতালী, জার্মানী ও মালয়েশিয়ার মতো বৃহৎ আসবাবপত্র রপ্তানিকারক দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশ ইতোমধ্যে আসবাবপত্র প্রস্তুতকারক দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।এ বিষয়ে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) মহাপরিচালক বিজয় ভট্টাচার্য বলেন, দেশের আসবাবপত্র শিল্পকে স্থায়ী রপ্তানি পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। আসবাবপত্র রপ্তানিতে দেয়া হচ্ছে ১৫ শতাংশ নগদ সহায়তা। নতুন বাজার সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বৈচিত্র্যপূর্ণ পণ্য তৈরিতে সরকার ব্যবসায়ীদের সহায়তা করছে।

সুত্র,Rtv

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2019 banglarprotidin
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themebazarbanglaro4451